Monday, April 02, 2012

বঙ্গবর্ষে বিধাতা ক্ষেন্তিপিসিরূপে আবির্ভূত হইয়াছিলেন


"হে পন্ডিত হুতোম, ক্ষেন্তিপিসি কে ছিলেন? তিনি বঙ্গবর্ষের প্রজাসকলকে কি উপায়ে দুখসাগরে নিক্ষিপ্ত করিয়াছিলেন? কেনই বা বঙ্গবর্ষ কন্টকতীর্থ খ্যাতিপ্রাপ্ত হইয়াছিল?"

এই বলিয়া রাজা জনার্দন করদ্বয় একত্রিত করিয়া দশাঙ্গুলি মুখগহ্বরে স্থাপনা করিয়া প্রবল শক্তিদ্বারা উদর হইতে বাযুবেগ ঊর্ধ্বগতি করিলে হুটাহুট শব্দবাণ নিক্ষিপ্ত হইল। সুতীক্ষ্ণ শব্দবাণ শ্রবণ করিয়া পন্ডিত হুতোম তাঁহার শুভ্রপক্ষ বিস্তারপূর্বক উড্ডীন হইয়া রাজা জনার্দনের সভাগারে আগন্তুকের ন্যায় আবির্ভূত হইলেন। সভাসদগণ পন্ডিত হুতোমের উদ্দেশ্যে প্রণাম জ্ঞাপন করিলেন।

Monday, March 05, 2012

বঙ্গবর্ষে চক্রান্তাসুরের সমাগমন কথা

“হে সর্বজ্ঞানাধিপতি পন্ডিত হুতোম, অদ্য আপনি আমাদিগের সভাস্থলে সমুপস্থিত হইয়া চক্রান্তাসুর চরিত্র বর্ণনা করিয়া আমাদিগকে জ্ঞানলব্ধ করুন। কি কারণে মহারাণী চক্রান্তাসুরের ভয়ে ভীত থাকিলেও প্রজাগণের নিকট তিনি কৌতুকোপাদান হইয়াছিলেন?” যেমন বিন্দুসম জলরাশি একত্রিত হইয়া সিন্ধুরূপ ধারণ করে তদ্রূপ কিঞ্চিত জ্ঞানাহরণ করিয়া জ্ঞানসিন্ধু আখ্যায়িত হইবার অভিপ্রায়ে রাজা জনার্দন করদ্বয় মুখগহ্বরে সঞ্চালিত করিয়া হুটাহুট নাম্নী বিচিত্র শব্দবাণ নিক্ষেপ করিয়া নিমন্ত্রণবার্তা প্রেরণ করিলে সভাস্থল উদ্বেলিত করিয়া সর্বলোকজ্ঞামী মহাবতার হুতোম পন্ডিত আবির্ভূত হইলেন। 

Sunday, January 22, 2012

গণিতশাস্ত্র অজ্ঞ মহারাণী মমতা


হে হুতোম পন্ডিত, আপনি আমাদিগের নিকট আবির্ভূত হইয়া মহারাণী মমতার কাব্যবিন্যাস করিয়া কৌতুকরসে আমাদিগকে সিক্ত করিয়াছেন। অদ্য আমাদিগের মানসপটলে আবির্ভূত হইয়া আপনি এই পক্ষকালের কৌতুক বর্ণনা করিয়া আমাদিগকে আনন্দ প্রদান করুন। কি কারণে প্রজাগণ কৌতুক পাইয়াও দুঃখে জীবনযাপন করিত? এই বলিয়া রাজা জনার্দন চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া, দুই বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ মুখগহ্বরে প্রবেশ করাইয়া হুটাহুট শব্দবাণ নিক্ষেপ করিলে তৎক্ষণাত পন্ডিত হুতোম আবির্ভূত হইলেন।

Sunday, December 25, 2011

অবিবেচক রাণী মমতা কাকেশ্বর রোগাগ্রস্ত হইয়াছিলেন

হে পন্ডিত হুতোম, আপনি সর্বকালবেত্তা। আপনি সর্বলোকগামী মহাপুরুষ। আপনি আমাদিগের কৌতূহলের একমাত্র নিবারক হইয়া আবির্ভূত হইয়া পুরাকালের ঘটনাবলীর বর্ণনা দ্বারা অহরহ আমাদিগকে মুগ্ধ করিয়াছেন। অদ্য আপনার নিকট পরিশ্রুত হইতে চাই, কি কারণে মহারাণী মমতাকে কাকেশ্বর রোগ গ্রাস করিয়াছে এইরূপ কথিত ছিল? প্রশ্নপর্বের ক্ষণকাল পরে রাজা জনার্দন মন্ত্রোচ্চারণের দ্বারা বিবিধ জপাদি সম্পন্ন করিয়া দুই হস্তের ষড়াঙ্গুলি মুখগহ্বরে প্রবিষ্ট করাইয়া হুতোম পন্ডিতকে আনয়নের নিমিত্ত হুটাহুট মন্ত্রবাণ নিক্ষেপ করিলে তৎক্ষণাত পক্ষবিস্তার করিয়া নিঃশব্দে সর্বলোকাচর হুতোম আবির্ভূত হইলেন।

Friday, December 09, 2011

কোপভাজক বৃদ্ধা মহাশ্বেতা কথা

“হে হুতোম পন্ডিত আপনি আমাদিগের আমন্ত্রণ স্বীকার করুন। আমরা আপনার নিকট শ্রুত হইতে ইচ্ছুক যে কি কারণে অশীতিপর বৃদ্ধা মহাশ্বেতার নিকট রাণী মমতা কুপিত হইয়াছিলেন ও কি প্রয়োজনে বৃদ্ধা ক্রোধাণ্বিত হইয়া বাক্যাগ্নি বর্ষণ করিলেও ক্ষণকাল পরেই মমতার সুখ্যাতিতে পঞ্চমুখ হইয়াছিলেন?” এই বলিয়া রাজা জনার্দন করদ্বয় একত্রিত করিয়া মুখগহ্বরে প্রবিষ্ট করিলে সুতীক্ষ্ণ হুটাহুট শব্দবাণ নিক্ষেপিত হইল। সেই তীক্ষ্ণ শব্দ শ্রুতিগোচর করিয়া তৎক্ষণাত হুতোম আবির্ভূত হইলেন।

স্বল্পজ্ঞানী রাণী মমতা ও কবিগুরুর আবির্ভাবোৎসব

পুরাকালে বঙ্গবর্ষে ক্ষণকাল স্বল্পজ্ঞানী ও বাকসর্বস্ব রাণী মমতার রাজত্ব ছিল। বিশ্বের সমগ্র রাজাসমূহ তথা ধনী প্রজাবর্গের সহিত সম্মিলিত হইয়া প্রজাদ্বারা সঞ্চালিত একটি গোষ্ঠীকে পরাস্ত করিয়া মমতা রাজসিংহাসনাভিষিক্ত হইয়াছিলেন। কথিত আছে যে ওই সময়ে রাণী মমতা আহ্লাদিত হইয়া নিত্যনতুন কার্যদ্বারা প্রজাগণকে লালায়িত করিবার প্রচেষ্টারতা ছিলেন।

Sunday, November 20, 2011

সওদাগর আনন্দবাজার সারমেয়কূলাভিষিক্ত হইয়াছিল

“হে সর্বলোকগামী হুতোম পন্ডিত, আমরা আপনার নিকট জ্ঞাত হইতে ইচ্ছুক যে আনন্দবাজার কে ছিল এবং কি ছিল তাহার অভিপ্রায়? জাগরীকান্ড দ্বারা আনন্দবাজার কি কি প্রমাণ করিতে উৎসাহী ছিল?” রাজা জনার্দন হুটাহুট শব্দ সহযোগে এইরূপ প্রশ্নবাণ নিক্ষেপ করিলে তৎক্ষণাত পন্ডিত হুতোম আবির্ভূত হইলেন।

Tuesday, October 04, 2011

সারমেয়বর্গীয় মাধ্যম "সংবাদ নিত্যদিন"-এর কুরটনা


একদা বঙ্গবর্ষে স্বৈরাচারী ও মিথ্যাচারী রাণী মমতা রাজকার্য পরিচালনা করিতেন। সেই সময়ে বঙ্গবর্ষে তাঁহার ভজনা নিমিত্ত কতকগুলি সংবাদ মাধ্যম সর্বদা তৎপর ছিল। স্বৈরাচারী রাণীর স্তুতিগান করিলে উপঢৌকন ও অর্থ ইত্যাদি পাইবার লালসা হইতে সারমেয়স্বভাব সংবাদপত্রগুলি বিমুখ ছিলনা।

Monday, October 03, 2011

অর্থমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বচসা এবং ছল

প্রণব মুখার্জি পত্রদ্বারা প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করিয়াছেন যে ২-জি স্পেক্ট্রাম কেলেঙ্কারি জন্য শ্রীমান চিদম্বরমও দায়ী। প্রণববাবু যদিও শ্রীমান চিদম্বরম মহাশয়কে যথেষ্ট সম্মান জানাইয়া বলিয়াছেন যে উক্ত কেলেঙ্কারিটি তখনকার অর্থমন্ত্রী শ্রীমান চিদম্বরম মহাশয় চাইলেই থামাইয়া দিতে পারিতেন। অর্থাৎ প্রণববাবু সর্ববিদিত করিলেন যে কংগ্রেস যদি ইচ্ছা করিত তবে ওই পর্বতসম অর্থের অপচয় কিংবা আত্মস্মাত করিবার ইচ্ছা হইতে বিরত থাকিতে পারিত।

মহাবতার করমচন্দ্রের অনশন পরিত্যাগে মহারাণী মমতার অবদান


পুরাকালে বঙ্গবর্ষে ক্ষণিককাল মহারাণী মমতার রাজত্ব ছিল। তাঁহার মস্তিষ্কপ্রসূত বাক্যশ্রবণ করিয়া সেই বর্ষের প্রজাগণ কালযাপন করিতেন। মিথ্যাচারী মহারাণী মমতা প্রজাবর্গের সমীপ কৌতুকোপাদান রূপে গণ্য হইতেন।

কোলকাতা জনপদ লন্ডনে পরিবর্তিত হইতে পারেনা।


কোলকাতাকে লন্ডনে পরিবর্তিত করিবার অনর্থক প্রয়াস হইতে রাণী মমতা যদি বিরত থাকেন তবে সাধারণ প্রজাবর্গের মঙ্গল সাধন হইবে। একদা বঙ্গবর্ষে মমতা নাম্নী এক রাণীর হস্তে রাজকার্যভার সমর্পিত হইয়াছিল। তাঁহার অসত্য কথোপকথন এবং অপরিষ্কার মানসিকতার দৃষ্টান্ত বঙ্গবর্ষের প্রজাবর্গের নিকট আলোচ্য বিষয়  ছিল। কথিত আছে যে প্রজাবর্গের দ্বারা গঠিত ও প্রজাবর্গের দ্বারা চালিত একটি প্রজাগোষ্ঠীকে সিংহাসনচ্যূত করিবার নিমিত্ত বহু বিদেশি গোষ্ঠী এবং ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজাসমূহ একত্র হইয়া ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি বিশিষ্ট প্রজাবর্গকে পরাস্ত করিয়াছিল এবং ওই প্রদেশে পুনরায় স্বৈরাচারী শাসন স্থাপিত করিয়াছিল।

রাণী মমতা সরিষার ভিতর ভূতের বদলে সিপিএম দেখিতেন


পুরাকালে বঙ্গবর্ষে এক অস্থিরমতি ও মিথ্যাচারী রাণী মমতার রাজত্ব ছিল। সেই সময়ে প্রজাগণের সমীপ তিনি কৌতুকোপাদান রূপে স্থাপিত হইয়াছিলেন। কথিত আছে যে তিনি সরিষাদানার ভিতর ভূত দেখিবার বদলে সিপিএম দেখিতে পাইতেন।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...